প্রিয় শিক্ষক আপনার প্রশ্নের জবাবে আমার উত্তর-
আমার এখনও মনে পরে আমার একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক আমাদের একদিন একটা গল্প বলেছিলেন।গল্পটা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে।তিনি বললেন একদিন এক ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিল,শিক্ষকগণ তাকে প্রশ্ন করার এক পর্যায়ে একটি কবিতা নিয়ে প্রশ্ন করেছিল যা কিনা ঐ ছাত্রেরই লেখা ছিল।শিক্ষকগণ জানতে পেরে তাকে অনেক সম্মান জানাই। আমার শিক্ষক আমাকে এই কথা বলেছিল এই কারনেই যে আমরাও তো ছাত্র আমরা কেন এখন ঐরকম কিছু হতে পারি না ?
সেদিন থেকে আমি এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে শুরু করি। আজ আমি জানি কেন আমরা কিছু হতে পারি না । তখনকার সময়ে ছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সে স্কুলে যেত আর আজ আমরা ৩(তিন)বছর বয়সে স্কুলে যাই।ছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সেছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সে অনেক কিছুই বোঝে তাই তারা বুঝে পড়তো বা পড়ে বুঝতে পারতো।আর আমরা কি পড়ি তা আমরা নিজেরা তো জানিই না।আমরা তো বই কি তাই বুঝি না তবে পড়বো কি।সেই সময়ে দশম শ্রেনীর একটি ছাত্র / ছাত্রী অনেক কিছুই বুঝতো আর তখন তার বয়স হতো ১৬-১৭ বছর।আর এখন ১৪ বছর বয়সের একটি ছাত্র / ছাত্রী দশম শ্রেনী পার করে ফেলে। কি বোঝে সে ?
আমাদের খেলার সময়টা কেরে নিয়ে হাতে বই পুস্তক ধরিয়ে দেয় বলেই আমরা আজ মেধা শূন্য জাতি। আমরা বইএর মুল্য দিতে না শিখেই বই নিয়ে স্কুলে যাই ।
আজ বাংলাদেশের এমনও অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কবে তা জানে না। এমনকি কবে বিজয় দিবস তাও জানে না । এরা জানে না আমাদের দেশের স্মৃতিসৌধ কোথাই । এরাই তো বাংলাদেশের গর্ব ।আজ বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ কেন বেকার, কেন তারা চাকরি পাই না । আমরা বিল গেইটস এর সম্পর্কে জানি আমরা আইনস্টাইনের সম্পর্কে জানি কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানি না কেন?
কারণ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে BCS পরীক্ষাই কোন প্রশ্নই ছাপা হয় না তো পরে বা জেনে কি হবে। আমরা এভাবেই পরাশোনা করি আর শিখি । কে আমাদেরকে নীতি শেখাবে।যেখানে শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুর্নীতি হয় সেখানে নীতি কথার কি প্রভাব পরবে ?
written by : Mahi
আমার এখনও মনে পরে আমার একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক আমাদের একদিন একটা গল্প বলেছিলেন।গল্পটা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নিয়ে।তিনি বললেন একদিন এক ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিল,শিক্ষকগণ তাকে প্রশ্ন করার এক পর্যায়ে একটি কবিতা নিয়ে প্রশ্ন করেছিল যা কিনা ঐ ছাত্রেরই লেখা ছিল।শিক্ষকগণ জানতে পেরে তাকে অনেক সম্মান জানাই। আমার শিক্ষক আমাকে এই কথা বলেছিল এই কারনেই যে আমরাও তো ছাত্র আমরা কেন এখন ঐরকম কিছু হতে পারি না ?
সেদিন থেকে আমি এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে শুরু করি। আজ আমি জানি কেন আমরা কিছু হতে পারি না । তখনকার সময়ে ছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সে স্কুলে যেত আর আজ আমরা ৩(তিন)বছর বয়সে স্কুলে যাই।ছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সেছেলেমেয়েরা ৭(সাত)বছর বয়সে অনেক কিছুই বোঝে তাই তারা বুঝে পড়তো বা পড়ে বুঝতে পারতো।আর আমরা কি পড়ি তা আমরা নিজেরা তো জানিই না।আমরা তো বই কি তাই বুঝি না তবে পড়বো কি।সেই সময়ে দশম শ্রেনীর একটি ছাত্র / ছাত্রী অনেক কিছুই বুঝতো আর তখন তার বয়স হতো ১৬-১৭ বছর।আর এখন ১৪ বছর বয়সের একটি ছাত্র / ছাত্রী দশম শ্রেনী পার করে ফেলে। কি বোঝে সে ?
আমাদের খেলার সময়টা কেরে নিয়ে হাতে বই পুস্তক ধরিয়ে দেয় বলেই আমরা আজ মেধা শূন্য জাতি। আমরা বইএর মুল্য দিতে না শিখেই বই নিয়ে স্কুলে যাই ।
আজ বাংলাদেশের এমনও অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কবে তা জানে না। এমনকি কবে বিজয় দিবস তাও জানে না । এরা জানে না আমাদের দেশের স্মৃতিসৌধ কোথাই । এরাই তো বাংলাদেশের গর্ব ।আজ বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ কেন বেকার, কেন তারা চাকরি পাই না । আমরা বিল গেইটস এর সম্পর্কে জানি আমরা আইনস্টাইনের সম্পর্কে জানি কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানি না কেন?
কারণ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে BCS পরীক্ষাই কোন প্রশ্নই ছাপা হয় না তো পরে বা জেনে কি হবে। আমরা এভাবেই পরাশোনা করি আর শিখি । কে আমাদেরকে নীতি শেখাবে।যেখানে শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুর্নীতি হয় সেখানে নীতি কথার কি প্রভাব পরবে ?
written by : Mahi
